মার্চ করতে করতে ওরা ভেতরে ঢুকল। ওদের দেখে রোহানের ম্যারাথন দৌড়বিদদের কথা মনে পড়ল। কারণ, ওদের সাদা টি-শার্টের ওপর সংখ্যা লেখা ছিল। ওরা এত বেশি পরিমাণে আসতে লাগল যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই রোহানের ঘরটা ভরে গেল। প্রথমে সে এত ছোট জায়গায় এতজনের গাদাগাদি দেখে অবাক হলো, কিন্তু তারপর সে বুঝতে পারল, যত বেশি ভিড় বাড়ছে, দরজাটা তত দূরে সরে যাচ্ছে।কিছুক্ষণ সংখ্যাগুলো সেখানে দাঁড়িয়ে হাসাহাসি আর বকবক করল। তারপর সংখ্যার ভূত তার সেরা সেনাপতির গলায় চিৎকার করে বলল, ‘অ্যাটেনশন! প্রথম সারি, লাইনে দাঁড়াও!’ আর সঙ্গে সঙ্গে ওরা দেয়াল ঘেঁষে লাইনে দাঁড়িয়ে গেল। একজন সবার আগে, বাকিরা তার পেছনে ক্রম অনুযায়ী।‘শূন্য কোথায়?’ জিজ্ঞেস করল রোহান।শূন্য, সামনে এবং মাঝখানে!’ ভূতটা গর্জন করে বলল।শূন্য বিছানার নিচে লুকিয়ে ছিল। সেখান থেকে সে খুব লজ্জিত মুখে হামাগুড়ি দিয়ে বেরিয়ে ‘আমি ভেবেছিলাম আমাকে দরকার হবে না। আমি আজ নিজের মধ্যে নেই। সম্ভবত আমার ফ্লু হয়েছে। আমি অসুস্থতার ছুটি চাইছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *